বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বহু বছর ধরে তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষেত্রে উচ্চ হারে সুনির্দিষ্ট কর আরোপের সুপারিশ করে আসছে। কারণ এ ধরনের কর ব্যবস্থা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও রাজস্ব বৃদ্ধি উভয় ক্ষেত্রেই বেশি কার্যকর। তাই আসন্ন অর্থবছরে তামাকজাত দ্রব্যে অ্যাড ভেলোরেম কর পদ্ধতির পাশাপাশি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ‘সুনির্দিষ্ট কর’ আরোপ করা আবস্যক।
আামাদের দেশে তামাক কর প্রশাসনের অন্যতম একটি সমস্যা হলো, জর্দা ও গুল থেকে কর আদায়ের কোন স্বীকৃত পদ্ধতি না থাকায় দেশে সর্বাধিক ব্যবহৃত এই পণ্য দুটি থেকে খুবই সামান্য কর আদায় হচ্ছে এবং এই খাতে বিপুল পরিমাণ কর ফাঁকি হচ্ছে। তাই জর্দা ও গুল থেকে কর আদায়েরজন্য আধুনিক ও কার্যকর কর আদায় ব্যবস্থা চালু করা আবশ্যক। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটায় অনলাইন সিটিং প্লাটফর্ম জুম-এ আয়োজিত “তামাকের কর ব্যবস্থাপনা ও জনস্বাস্থ্যে এর প্রভাব” শীর্ষক ওয়েবিনারে বিশেষজ্ঞরা একথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরো (বিইআর) এবং বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসি (বিএনটিটিপি) যৌথভাবে এ ওয়েবিনারের আয়োজন করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. রুমানা হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওয়েবিনারে প্যানেল আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) এর সাবেক চেয়ারম্যান আমিন উল আহসান, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল এর সাবেক সমন্বয়কারি, সাবেক অতিরিক্ত সচিব হোসেন আলি খন্দকার ও কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এসএম আবদুল্লাহ।